শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭, সকাল ৮:২৮

প্রচ্ছদ ক্যাম্পাস ফরিদগঞ্জে উপবৃত্তির টাকা প্রদানের নামে প্রতারনা

ফরিদগঞ্জে উপবৃত্তির টাকা প্রদানের নামে প্রতারনা





ফরিদগঞ্জে উপবৃত্তির টাকা প্রদানের নামে অভিনব কায়দায় এক কলেজ শিক্ষার্থী থেকে তিনবারে বিকাশের মাধ্যমে ৬৬ হাজার ৩ শত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। ফরিদগঞ্জ পৌরসভা সদরস্থ কাছিয়াড়া গ্রামে এঘটনাটি ঘটে। এব্যাপারে ঐ শিক্ষার্থীর মামা ২৫ আগস্ট ফরিদগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছে।

প্রথম তিনবারে বুঝতে না পারলেও চতুর্থবার ঐ শিক্ষার্থীটি ২৫ হাজার ৩শত টাকা পাঠানোর জন্য পুনরায় বিকাশ এজেন্টের দোকানে গেলে ঘটনাটি ধরা পড়ে। তবে ঐ প্রতারক চক্রটি একই কলেজের অমৃত কুমার পালসহ আরো ৪/৫জন শিক্ষার্থীকে একই রকম ভাবে প্রতারনার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করেছিলো বলে জানা গেছে। ঐসব শিক্ষার্থীরা সচেতন হওয়ায় চক্রটি সফল হতে পারেনি। চাঁদপুর সরকারি কলেজে অনার্স প্রথমবর্ষে অধ্যয়নরত (প) আদ্যাক্ষর নামের ঐ শিক্ষার্থীটি জানায়, ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নরত থাকাবস্থায় উপবৃত্তির টাকা পেতো সে। ২৫ আগস্ট বুধবার তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে অপর তিনটি মোবাইল নং যথাক্রমে ০১৮৯৩৫৩০৪৮১/ ০১৮১৮৯৫০২১৭/০১৮৭১৮৪০৮৬৩ থেকে ফোন দিয়ে ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নরত থাকাবস্থায় উপবৃত্তির টাকা প্রতিমাসে কতো পেতো তার পরিমান, নাম, রোল নং, শাখা, পিতা ও মাতার নামসহ তার ঠিকানা বলে বুঝানোর চেষ্টা করে।

তোমাকে প্রতিমাসে যে পরিমাণ টাকা উপবৃত্তি দেয়ার কথা ছিলো তার থেকে অনেক কম দেয়া হয়েছে। তুমিতো আরো অনেক টাকা পাবে। তাই তুমি তোমার পরিচিত কোনো একটি বিকাশ এজেন্টের নাম্বার দাও। পরে বলে তোমার এরিয়া কোড নাম্বার কতো তুমি কি জানো ? শিক্ষার্থীটি নাসূচক জবাব দেয়ার পর জানায় তোমার কোড নাম্বার ওয়ান ফাইভ থ্রি ডাবল জিরো অর্থাৎ ১৫৩০০। তুমি, তোমার পরিচিত একটি বিকাশ এজেন্টের দোকানে গিয়ে বলবে টাকা পাঠানো যাবে কিনা! যদি যায়, তাহলে বলবে আমি এক আত্মীয়ের কাছে কিছু টাকা পাঠাবো। যদি জানতে চায় কতো টাকা, তাহলে তুমি বলবে ১৫৩০০/টাকা।

তবে মনে রেখো, তোমার কোড নাম্বারটি বিকাশ এজেন্টের দোকানিকে বুঝতে দিবেনা, আর এতে তোমার খরচ পড়বে ১০টাকা মাত্র। বিকাশ এজেন্টের দোকানি টাকা চাইলে দিচ্ছি বলে চলে যাবে। সহজ সরল শিক্ষার্থীটি প্রতারকের খপ্পরে পড়ে এভাবে তিনবারে ৬৬ হাজার ৩শত কাটা খোঁয়ানোর পর চতুর্থবারে ২৫ হাজার তিনশত টাকা পাঠাতে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে শিক্ষার্থীটির মামা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ২৫ আগস্ট ফরিদগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করে।

বার্তা প্রেরক
কামরুজ্জামান
ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি







মন্তব্য করুন:

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

সর্বাধিক পঠিত